মঙ্গলবার, ১১ জুন, ২০২৪
ভালবাসা কি? ভালবাসা কাকে বলে? ভালোবাসা বলতে কি বুঝায়? ভালবাসার ধরণ
রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
Bangla Love Story: অসম্পূর্ণ পূর্ণ ভালবাসা (নাদিয়া ও নীল)
‘মা, আমি আর হসপিটালে থাকতে চাই না। আমি খুব ক্লান্ত। এই কয়টা দিন আমি আমার জীবনটা নিজের মত করে উপভোগ করতে চায়। প্লিজ, আমাকে নিয়ে চলো’।
‘নাদিয়া, তুমি ভাল করেই জানো তুমি এখানে কেন আছো। তাহলে কেন নিজেকে বিপদে ফেলতে চাচ্ছো’?
‘আমি কিছু জানিনা। আমি শুধু জানি আমার হাতে আর অল্প কিছুদিন সময়। তাহলে বাকি সময়টুকু কেন আমি আনন্দে কাটাবো না’।
তখনই নার্স খাবার নিয়ে রুমে ঢুকলো। বিরক্তিকর একই খাবার দেখে নাদিয়া সজোরে দরজা খুলে বাইরে চলে আসলো। অনেক কষ্ট হচ্ছে তার। বুক ফেটে কান্না আসছে। নাদিয়া হসপিটালের ছাদে যেয়ে দাড়ালো যেন কেউ দেখতে না পায়।
সোমবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২২
প্রথম উপসংহারে তুমি
অন্যান্য সকাল হতে শীতের সকালটা একটু পৃথক,আর কিছুটা বৈচিত্র্যময়। আজকে হঠাৎ ফজর নামাজ শেষে বের হলাম ইরাথীকে সাথে নিয়ে। শহরের কিছুটা একপাশে আমাদের আবাসস্থল। পাশেই হাটার একটি রাস্তা,যার দুপাশে শিরীষ ও মেহগনি গাছের সারি। শীতের মাঝামাঝি হওয়ায় বেশ কুয়াশা পড়েছে। ঘন কুয়াশার আচ্ছাদনে আবছা আবছা দূরের জিনিস দেখা যাচ্ছে। গায়ে চাদর জড়িয়ে, ইরাথীর হাতটি ধরে হেটে যাচ্ছি। টুকটাক কথা হচ্ছে।দুজনের মাঝে অন্যরকম এক অনুভূতি দোলা দিচ্ছে।
বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২২
ছোটগল্প - ঝুমকা
মধ্য কার্তিকের এক মৌন অপরাহ্ণে বাড়ির পুকুরপাড়ে একাকী বসেছিলাম। পুকুরপাড় থেকে একটি মেঠো পথ চলে গেছে দক্ষিণ দিগন্তের দিকে। যতদূর দৃষ্টি যায় চোখ মেলে চেয়ে দেখছিলাম আদিগন্ত । পথের দুপাশে আধাপাকা ধানগাছ ঈষৎ নুয়ে পড়েছে। সরিষার ক্ষেতগুলো দেখতে লাগছিল হলুদ গালিচার মতো। হঠাৎ দেখতে পাচ্ছিলাম- দিগন্ত ভেদ করে ছায়ার মতো কেউ একজন মেঠো পথ ধরে এগিয়ে আসছে সামনের দিকে। একটু পর দেখি, একজন নয় দুজন। আরও একটু পরে দেখি, দুজনের একজন পুরুষ আর একজন মেয়ে। ওরা আস্তে আস্তে আমাদের বাড়ির দিকে এগিয়ে আসছে। যখন কাছে চলে আসে- তখন ছেলেটিকে দেখে চিনতে পারি। ও আমাদের গায়েরই ছেলে। ওর নাম রিয়াজ। পশ্চিম পাড়ায় থাকে। কিন্তু মেয়েটিকে দেখে চিনতে পারছিলাম না। ওকে এর আগে কখনও দেখিনি।
বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২
গল্প: শেষ দেখা
প্রায় বছর দুইয়েক পর রুমানা নক করল ম্যাসেঞ্জারে। ভালো মন্দ জিজ্ঞেস না করে সোজা জিজ্ঞেস করলো, এই, লন্ডনের কই থাকো তুমি? ঠিকানা কী?
বুধবার, ২ নভেম্বর, ২০২২
ছোটগল্প: ভালোবাসার অনেক রং
আমি যখন ইন্টারে সেকেন্ড ইয়ারে উঠি ঠিক তখনি আমার বাসায় আমার বিয়ের প্রস্তাব আসে। আগে যে আসতো না এমন নয়, তবে এবারটা সিরিয়াস।
বাড়ির সবাই আমার মতামত না নিয়ে ইতিমধ্যেই বিয়ের কথাবার্তা শুরু করে দিছে। আমি যখন জানতে পারছি পাত্রটি কে, তখন আমার মাথায় যেনো আকাশ ভেঙ্গে পড়ছে। পাত্র আর কেউ না আমি যে স্কুল হতে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে বের হয়ে আসছি সে স্কুলের শিক্ষক।
শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২২
বাংলা গল্প: মেহজাবিনের সংসার - Bengali Story Read Online
আমার স্ত্রীর নাম মেহজাবিন। সে শুধু আমার সহধর্মিণীই না সে আমার সমস্ত ভালো লাগার জায়গা। জীবনে পরিবারের পর যে মানুষটির সাপোর্ট আমি সবচেয়ে বেশি পেয়েছি সেই মানুষটি আমার মেহজাবিন।
বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২২
বাংলা গল্প: থ্যাঙ্কিউ ভাইয়া Bengali Story Read Online
মধ্যদুপুর। কলেজ থেকে বাসে করে বাড়ি ফিরছি। বদরুন্নেসা মহিলা কলেজের সামনে থেকে বেশ কিছু মেয়ে বাসে উঠে পড়ল। তার মধ্য থেকে একটি গোলাপি পোষাকে আবরিত মেয়ে আমার পাশে বসলো নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে। আর আমি জানালার বাইরে উজ্জ্বল শহর দেখছি। সূর্যের উত্তপ্ত কিরণ আমাদের চোখেমুখে এসে পড়ছে। ঢাকা মেডিকেলের স্টপ থেকে আরো যাত্রী বাসে উঠলো।
বুধবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২২
বাংলা গল্প: আজ ৩৫ বৎসর পর - Bengali Story Read Online
আমার ভীষণ মনে পড়ে সেদিনটার কথা,
যখন সে বলেছিলো,
- এতো ঘুরাঘুরির, দেখাদেখির কি আছে? আমার মেয়ে মানুষ নিয়ে ঘুরতে লজ্জা লাগে।তোমার ঘুরতে হলে অন্য কাউকে নিয়ে ঘুরো,বিরক্ত করো না আমায়। আমার কি কোনো কাজ নেই?
রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২২
ছোটগল্প: কল্পনা হারানোর ভয় - Bengali Story Read Online
নিশান চায়ের দোকানে বসে সিগারেট ফুঁকছে। রাত প্রায় এগারোটা। আকাশে অনেক মেঘ করেছে। দোকানে আর কোনো কাস্টমার নেই। দোকানদার বলল,
-- ভাইজান মনে হচ্ছে বৃষ্টি আইবো। আমি
তো দোকান বন্ধ কইরা বাড়ি যাবো গা।
বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২২
সারপ্রাইজ হ্যাপি এনভার্সারি
আমার বোন আর আমার স্বামীকে এক সঙ্গে রিক্সায় দেখে এক সাইডে দাঁড়ালাম। মূলত এই দৃশ্য দেখতেই আজ আমি বাসা থেকে বের হয়েছি। কয়েকদিন ধরে ওদের আমি খুব সন্দেহ করতাম। তাই আজ সকালেই বাসা থেকে বের হয়েছি। আমার বোন মিলি থাকে একটি হোস্টেলে। ওখানেরই একজন মেয়ে আমাকে বলেছে আমার স্বামীকে নিয়ে মাঝে মাঝে ঘুড়তে যায়। ওদের কতগুলো ছবি তুলে রাখলাম। চোখের পানি ধরে রাখতে পারছি না। ওখান থেকে সোজা বাসায় চলে গেলাম।
গল্প: প্রাক্তন না কি প্রেমিক
আমারও একজন প্রাক্তন আছে লোকে এ কথাটি যতটা সহজে বলতে পারে, তত সহজে আমি বলতে পারি না। প্রাক্তন ও প্রেমিক এ দু'টি শব্দ তৈরিতেই সাধারণ একটি অক্ষর 'প' ব্যবহৃত হয় অথচ প্রাক্তন বলতে গেলে মনের ভেতর কেমন যেন ঘৃণার সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে প্রেমিক শব্দ উচ্চারণ করতে গেলে লজ্জা সিক্ত হাসি ফোটে প্রতিটি মানুষের মুখাবয়বে। কিন্তু আমি আজও হিসাবনিকাশ শেষ করতে পারিনি, কাসেদ কি আমার প্রাক্তন না কি প্রেমিক? কখনো কখনো তো মনে হয় তার সাথে আমার মনের কোনো যোগসূত্রই ছিল না। সে নেহাত আমার জীবনে এসে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি এক সুপ্ত অনুভূতির খোঁজ দিয়ে হারিয়ে গেছে।
অনুগল্প: প্রয়োজন থেকে প্রিয়জন
বিয়ের রেজিস্ট্রি খাতায় যখন আমাকে সিগনেচার করতে বলে, তখন আমার বুক ভেংগে কান্না আসে। আজ আমার দ্বিতীয় বারের মতো বিয়ে, তাও জ্যাঠাতো ভাসুরের সাথে। আমি তো এমনটি কখনো চাইনি সব সময় রবিন কে নিয়ে থাকতে চেয়েছি। সারাটা জীবন ওকে নিয়ে সুখের সংসার করার কথা ভেবেছি। তাহলে এরকমটা কেন হলো আল্লাহ আপনি আমাকে এরকম পরিস্থিতিতে কেনো ফেললেন।
সোমবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২২
গল্প- অলিকের আশা
মেয়েটি সুন্দর। ভীষণ সুন্দর।
গল্প: সাইকোপ্যাথ ( পর্ব ৭ )
তাসনুভা কথা শেষ করার আগেই আরিয়ান ওর মিষ্টি ঠোঁটটি নিজের করে নেয়। আরিয়ান চায় না তাসনুভা এমন কোন কথা বলুক। তাই কথা শেষ করার আগেই ওকে এভাবে থামিয়ে দেয় আরিয়ান৷ ও আসলেই একটি সাইকো। ভালবাসার সাইকো ও। তাসনুভা তা ভালো ভাবেই বুঝতে পেরেছে। আরিয়ানের গভীর স্পর্শে তাসনুভা শান্ত হয়। আর অনেক লজ্জা পেতে থাকে।
গল্প: সাইকোপ্যাথ ( পর্ব ৬ )
তাসনুভাকে এভাবে কান্না করতে দেখে আরিয়ান সব ভুলে বেডে উঠে ওর সামনে গিয়ে শুয়ে পড়ে। তাসনুভা হঠাৎ করে মাঝ রাতে আরিয়ানকে দেখে চমকে যায়। ও কিছু বলার আগেই আরিয়ান ওর চোখদুটো মুছে দেয়। তাসনুভা ডিম লাইটের আলোতে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে আরিয়ানের চোখেও পানি। আরিয়ান তাসনুভার চোখ মুছে দিয়ে ওকে টান দিয়ে ওর বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে। আজ কেন জানি আরিয়ানের বুকে তাসনুভা একটু শান্তি খুঁজে পাচ্ছে৷ তবে ওর খুব কান্না পাচ্ছে আর অনেক ভয় লাগছে৷
গল্প: সাইকোপ্যাথ ( পর্ব ৫ )
আরিয়ান অঝোরে অশ্রু ফেলে শুধু গাড়ি চালিয়েই যাচ্ছে। ওর এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না যে নাতাশা আর নেই। আরিয়ানের মনে হচ্ছে নাতাশা চলে যাওয়ার পিছনে একমাত্র দায়ী ও। কারণ তাসনুভাকে এখানে না আনলে এই অ্যাটাক কখনোই হতো না। আর নাতাশারও কিছু হতো না৷ সব দোষ ওর। আরিয়ানের প্রচন্ড খারাপ লাগছে।
গল্প: সাইকোপ্যাথ ( পর্ব ৪ )
আরিয়ান হঠাৎ করেই তাসনুভাকে ওর বাসায় নিয়ে এসেছে। তাসনুভার কেন জানি অনেক সন্দেহ হচ্ছে। ওর মন বলছে, আরিয়ান ওর সাথে খারাপ কিছু একটি করার প্ল্যান করছে। কারণ তাসনুভা জানে আরিয়ান কেমন। ওর বুকের ভিতরটা এসব অজানা ভয়ের জন্য ধুকপুক ধুকপুক করছে।
গল্প: সাইকোপ্যাথ ( পর্ব ৩ )
তাসনুভা বুঝে ফেলছে আরিয়ান এখন কি করবে৷ ও সবার আগে হাত দিয়ে ওর ঠোঁট ঢেকে ফেলে। আরিয়ান বেডের উপর উঠে তাসনুভার একদম কাছে চলে যায়। তাসনুভা আর পিছনে না যেতে পেরে চোখ বন্ধ করে ফেলে। আরিয়ান ওর একদম কাছে গিয়ে একটি মুচকি হাসি দিয়ে ওর দুচোখে চুমু এঁকে দিয়ে সরে আসে। তাসনুভা ভীষণ অবাক হয়।
গল্প: সাইকোপ্যাথ ( পর্ব 2 )
আরিয়ান চলে আসার পর পরই তাসনুভাও পার্টি থেকে ওদের বাসায় চলে আসে। এসে সোজা ওয়াশরুমে গিয়ে পানি দিয়ে সমানে ঠোঁটটা ধুতে থাকে কাঁদতে কাঁদতে। কারণ এইতো কিছুক্ষণ আগে ওর এই মিষ্টি গোলাপি ঠোঁটটি আরিয়ানের দখলে ছিল।